নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী এলাকায় প্রায় দুই বছর আগে নিখোঁজ হওয়া কমলা খাতুন (৩৫) ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলে নোমানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে প্রশংসা কুড়িয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), নোয়াখালী জেলা ইউনিট।
গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার সফল তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি জনাব আলি আকবর খান সিআইডি, নোয়াখালী জেলা ইউনিটকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে সিআইডি, নোয়াখালী জেলা ইউনিটের তদন্তকারী ও আভিযানিক দলের সদস্যরা এ সম্মানজনক পুরস্কার গ্রহণ করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সিআইডি এ বহুল আলোচিত মামলার জটিল রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়।
তদন্তে উঠে আসে, প্রায় এক কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৎ মা কমলা খাতুন ও তার শিশু পুত্র নোমানকে হত্যা করে মরদেহ গুম করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তি এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভিকটিমদের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।
সত্য উদ্ঘাটনে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান সিআইডি প্রধান। তিনি ভবিষ্যতেও জনগণের আস্থা অর্জনে সিআইডির সদস্যদের একই নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
"অপরাধ যতই নিখুঁত হোক, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই" — সিআইডির সফল তদন্তে উন্মোচিত হলো দুই বছর আগের আলোচিত মা-ছেলের হত্যারহস্য।
প্রকাশক ও সম্পাদক:- আমিনা খাতুন ইভা
নির্বাহী সম্পাদক: জাহাঙ্গীর আলম ভিপি
All rights reserved ©2026 dailyaparadhchakra.com