দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দীঘ অনুসন্ধান শেষে গাজী আলতাফুজ্জামান, সাবেক তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোডর্(পাউব) বিরদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অনিয়মের মাধ্যমে প্রকল্পে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ ও রাষ্ট্রীয সম্পদ তছারপের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সাল থেকে গাজী আলতাফুজ্জামান, বিরুদ্ধে “গঙ্গা ব্যারেজ সমীক্ষা প্রকল্প, পাউবো “ক্যাপিটাল (পাইলট) ড্রেজিং অব রিভার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ (সিডিআরএসবি) প্রকল্প, “গঙ্গা ব্যারেজ সমীক্ষা প্রকল্প সাতটি গাড়ি সংক্রান্ত দুর্নীতি ও জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্ত নামে দুদক।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে উচ্চ পর্যায়ের একাধিকবার তদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় গাজী আলতাফুজ্জামানের বিরুদ্ধ।ে গাজী আলতাফুজ্জামান, সাবেক তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোডর্(পাউব) প্রকৌশল ডিগ্রি অর্জনের সময় বি.আই.টি, ঢাকা (বর্তমানে “ডুয়েট”) তে অধ্যায়নকালে ছাত্রলীগের কমিটির খ-কালীন সভাপতি ও দীর্ঘকালীন সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব ছিল বলে হুমকি দিয়ে মামলা চার্জশিট প্রদানে বিলম্বিত করে আসছে।
পাউবো’র “ক্যাপিটাল (পাইলট) ড্রেজিং অব রিভার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ (সিডিআরএসবি) প্রকল্প, সরিাজগঞ্জ গড়াই নদী পুন খনন প্রকল্পে একটি ভালো পাম্পকে অকজেো দেখিয়ে ১১ কোটি টাকা আত্মসাতসহ সরিাজগঞ্জ ক্যাপটিাল পাইলট ডজেংিয়রে কাঝে টলরেব্রাল ল:ি এর নামে ৫০ কোটি টাকা ও একটি জীপ গাড়ি আত্মসাত কর। ছাত্রলীগের কমিটির খ-কালীন সভাপতি ও দীর্ঘকালীন সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব ছিল বলে হুমকি দিয়ে দুদকরে অনুসন্ধান কাযক্রস পরিসমাপ্ত করে।
যে কোন প্রকল্প থেকে জীপ গাড়ি গায়েব করে দেওয়া গাজী আলতাফুজ্জামান চরম নেশা।গত ১৫-০২-২০১৫ খ্রিঃ তারিখে হতে “গঙ্গা ব্যারেজ সমীক্ষা প্রকল্প” দপ্তরে দায়িত্ব নেন তিনি। এই প্রকল্পের আন্তর্জাতিক ঠিকাদার “মেসার্স চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোং এর সাথে বোর্ডের সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন প্যাকেজের অনুকূলে “প্রকল্প পরিচালক” মহোদয় মোট ০৭ (সাত) টি জীপ গাড়ী গ্রহণ করেছিলেন। “গঙ্গা ব্যারেজ সমীক্ষা প্রকল্প এর পিডি ছিল গাজী আলতাফুজ্জামান । জীপ গাড়ী প্রকল্প শেষ হওয়ার পরেও নিজ আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দুদুকের চিঠি জবাবে গাজী আলতাফুজ্জামান জানায়, রাজধানীর বনানী এলাকার প্রোগ্রেস মোটারস নামে একটি গাড়ি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে গাড়িগুলো সরবরাহ করা হয়।
২০১৮ সালে চট্টগ্রামের কে, আর, অটো কারস্ এর মালিক জনাব আবুল কালাম আজাদের মাধ্যমে ৩৬ লক্ষ টাকায় গাড়ী আমদানীর কাগজ পত্র সমেত‘ নন-রেজিস্টার্ড একটি পুরাতন ব্যবহৃত প্রাডো জীপ গাড়ী ক্রয় করে গাজী আলতাফুজ্জামান । একটি টয়োটা প্রাডো জীপ গাড়ী ২০২১ সালে মেসার্স ফ্লাশ ওয়ান কর্পোরেশন মাধ্যমে ৭২ লক্ষ টাকায় জাপান থেকে আমদানী করে আরও একটি জপি ক্রয় করেগাজী আলতাফুজ্জামান যার নম্বর হয় ঢাকা-মেট্রো-ঘ-২১-৫৬০০ ।
দুদক চট্টগ্রাম মোঃ মাহমুদ হাসান, পরিচালক, দুদক, চট্টগ্রাম, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা জনাব রিয়াজ মাহমুদ, ডিএডি, দুদক, চট্টগ্রাম এ সময় তার পুরো সম্পদের বিবরণী দেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) মোতাবেক দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক সম্পদ বিবরণী ফরম তার নিজ ঠিকানায় জারি করা হয় । তার ঠিকানা গাজী মোঃ আলতাফুজ্জামান পিতা: মরহুম গাজী মোঃ শামসুল হক ফ্ল্যাট: ডি-১, ইউনাইটেড আরবার ৫/১৩, ব্লক: সি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
সূত্র জানায, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা জনাব রিয়াজ মাহমুদ, ডিএডি, দুদক, চট্টগ্রাম তার বরিুদ্ধে দীঘ অনুস্ধান শষে,ে আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অনিয়মের মাধ্যমে প্রকল্পে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ ও রাষ্ট্রীয সম্পদ তছারপের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদনের জন্য দুদক ঢাকা অফসি কমশিনরে কাছে পাঠায়।
এই খবরে গাজী আলতাফুজ্জামান সাবেক তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোডর্(পাউব) অনুসন্ধানকারী কর্মকর্ত পরর্বিতন কররে আবদেন কর।ে গত ০৮/০১/২৬ তারিখ অনুসন্ধানকারী কর্মকর্ত পরর্বিতন করে উপসহকারী পরচিালক এলমান আহমদে অনকিকে নিয়োগ করে ।
দুদুকের চিঠি জবাবে গাজী আলতাফুজ্জামানের জানায়,আমার পুরো পরিবার কঠোরভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত ও আওয়ামী ঘরণার পরিবার। গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট জনাব রহমত আলী (প্রয়াত) ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আ.ক.ম. মোজাম্মেল হোসেন (সাবেক মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি) এঁর সাথে রাজনীতি করেছি ও মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে আমাকে, আমার পরিবারকে খুব ভালভাবে চিনেন। আমি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের একজন সিনিয়র সদস্য।
গাজী আলতাফুজ্জামানের ২০১৭ সালে কানাডায় বাড়ি ক্রয় করে আছে বলে অভিযোগ বলে হয়।গাজী আলতাফুজ্জামান তার আয়কর নথীতে রাজধানীর অভিযাত এলাকার লালমাটিয় ১৭০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট দাম মাত্র ১৪ লক্ষ টাকায় রেজিস্ট্রি খরচসহ। বসুন্ধরায় একটা প্লট ও জামালপুরে সহোদর ভাইদের সাথে যৌথনামে বাড়ী-ভিটা আছে। রাজউকের বাড্ডা পুনর্বাসন প্রকল্পে একটি প্লট ছিল যা ডেভেলপার কোম্পানির সাথে যৌথ উদ্যোগে ভবন বানিয়ে ৫০% হিসেবে ৬ (ছয়) টি ফ্লাটএর মালিক হন।
চিঠির জবাবে গাজী আলতাফুজ্জামান জানায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ছাত্রলীগের রাজনীতির বা কর্মকান্ডে নিজেকে সাধ্যমত নিয়োজিত রেখেছিল। চরম বিপদে প্রাণপ্রিয় নেত্রী (তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী) তাকে স সান্নিধ্য দিয়েছেন।
এ সময় তার পুরো সম্পদের বিবরণী দেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) মোতাবেক দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক সম্পদ বিবরণী ফরম তার নিজ ঠিকানায় জারি করা হয়। গাজী আলতাফুজ্জামান, সকল সম্পত্তির হিসাব প্রদান করে। তার মধ্যে প্রকল্পে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ তছারপের অভিযোগে ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের ব্যাপক দুনীতির প্রাথমকি প্রমান পেয়েছে দুদক।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com