শিক্ষা – দৈনিক সময়ের অপরাধ চক্র | বাংলা নিউজ পেপার https://dailyaparadhchakra.com বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, অপরাধ, রাজনীতি, ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। Thu, 12 Mar 2026 00:39:40 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://dailyaparadhchakra.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-Eva-Logo-favicon-32x32.jpg শিক্ষা – দৈনিক সময়ের অপরাধ চক্র | বাংলা নিউজ পেপার https://dailyaparadhchakra.com 32 32 ঢাকা কলেজস্থ সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/03/12/16803 https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/03/12/16803#respond Thu, 12 Mar 2026 00:39:40 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=16803 ঢাকা কলেজস্থ সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাকা কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) ঢাকা কলেজ অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইফতার মাহফিল শেষে এই জেলার ছাত্রকল্যাণের ২০২৬ সালের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে চার শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে জেলার শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগকে তিনি প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, ছাত্রকল্যাণ পরিষদের মূল উদ্দেশ্য হলো ঢাকায় অধ্যয়নরত সিরাজগঞ্জ জেলার অসচ্ছল ও সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।

তিনি আরও বলেন, এই শহরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ সবসময় পাশে থাকবে। ভবিষ্যতে জেলার শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে সহযোগিতা করা এবং যারা সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে আগ্রহী তাদের সহায়তায় সংগঠনটি কাজ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/03/12/16803/feed 0
বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/03/06/16694 https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/03/06/16694#respond Thu, 05 Mar 2026 20:14:52 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=16694 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় দুই দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত। একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদারের রিমান্ড আবেদন ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরমান আলী আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন বৃহস্পতিবার ঠিক করেন।
এদিন শুনানিকালে তাদের আদলতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

রিয়াদের পক্ষে আইনজীবী জাকির হোসাইন এবং অন্য তিন আসামির পক্ষে সাখাওয়াত হোসেন রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।

তিন আসামির আইনজীবী সাখাওয়াত হোসেন আদালতে বলেন যে,তারা চাকরি পরীক্ষার্থী। এই বিবেচনায় তাদের জামিন প্রার্থনা করছি।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে অচেনা ১০/২২ জনকে আসামি করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/03/06/16694/feed 0
​নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসব ১৪৩২ https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/02/18/16584 https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/02/18/16584#respond Wed, 18 Feb 2026 15:43:34 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=16584

​বসন্তের ফুরফুরে বাতাস আর পলাশ-শিমুলের রঙে যখন প্রকৃতি সেজেছে, ঠিক তখনই বাঙালির চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতিকে বরণ করে নিতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (NSU) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসব। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন মাঠে অত্যন্ত আনন্দঘন ও সুসংগঠিত পরিবেশে এই উৎসব সম্পন্ন হয়।
​বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক সেবামূলক সংগঠন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাব’ (NSUSSC) নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই ব্যতিক্রমী মেলার আয়োজন করে।
​ সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ ছিল উৎসবমুখর। বর্ণিল আলপনা, বাঁশের তৈরি কুলা, ডালা এবং গ্রামীণ আবহের সাজসজ্জায় পুরো এলাকাটি একটি ক্ষুদ্র জনপদে পরিণত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাঙালি সাজে—ছেলেরা পাঞ্জাবি ও মেয়েরা শাড়ি পরে উৎসবে যোগ দেন।
​আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্যোগে স্থাপিত পিঠার স্টলগুলো। স্টলগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার ছিল দেখার মতো। ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা থেকে শুরু করে নকশি পিঠা, দুধপুলি ও মালপোয়ার মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত ছিল চারপাশ। আধুনিকতার যুগে বিলুপ্তপ্রায় অনেক দেশীয় পিঠা প্রদর্শনী ও পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার রন্ধনশৈলী তুলে ধরা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব আজিজ আল কায়সার। তিনি বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন,
​আমাদের তরুণ সমাজকে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির পাশাপাশি নিজস্ব বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ লালন করতে হবে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শেকড়ের সাথে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
​ক্লাবের ফ্যাকাল্টি এডভাইজার জনাব মেজবাহ উল হাসান চৌধুরী বলেন,সমাজসেবার পাশাপাশি জাতির গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষা করাও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি যেন নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে বড় হয়।
​ক্লাবের প্রচেষ্টা ও সমাপনী
​উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম জানান, পিঠা বাঙালির আতিথেয়তার প্রতীক। এই উৎসবের মাধ্যমে তারা ক্যাম্পাস জীবনে যান্ত্রিকতার বাইরে কিছুটা হলেও গ্রামীণ আমেজ সৃষ্টি করতে চেয়েছেন।
​দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মাধ্যমে, যেখানে লোকজ গান ও নাচের তালে মেতে ওঠেন সকলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে যে, প্রযুক্তির এই যুগেও শেকড়ের টান ফুরিয়ে যায়নি।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2026/02/18/16584/feed 0
গাজীপুর চোরাস্তা চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২০২৬ সালের প্রাইমারি বই বিতর https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/12/17/15667 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/12/17/15667#respond Wed, 17 Dec 2025 05:57:28 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=15667 গাজীপুর চোরাস্তা এলাকারন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন প্রাইমারি স্কুলের পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই কার্যক্রমে গাজীপুর সদরসহ আশপাশের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বই সংগ্রহের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভিড় জমে ওঠে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, প্রাথমিক বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞানসহ সকল বিষয়ের বই নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা বলেন, শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই বই হাতে পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে। সময়মতো বই বিতরণ হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকল প্রাইমারি স্কুলের জন্য পর্যাপ্ত বই সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই যেন প্রত্যেক বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি বই গ্রহণ করতে পারেন, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হয়।

স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সঠিক সময়ে বই বিতরণের মাধ্যমে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/12/17/15667/feed 0
শিক্ষা সংষ্কার প্রস্তাবনা গণসংহতি আন্দোলন https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/11/24/15278 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/11/24/15278#respond Mon, 24 Nov 2025 14:53:08 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=15278 অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন, ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা,
যা সবার সব বয়সে জ্ঞান অর্জনের পথ উন্মুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করবে,
এবং অগ্রসর চিন্তা ও মানবিক গুণাবলী সমৃদ্ধ দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরীর মাধ্যমে
ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করতে সহায়তা করবে।
ভূমিকা
একটি রাষ্ট্রে বৈষম্য দুরীকরণের প্রথম ধাপ হচ্ছে সবার জন্য বাধাহীনভাবে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা। এটি একদিকে কর্মক্ষম নাগরিক তৈরীর মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করে, অন্যদিকে মানবিক গুনাবলী সমৃদ্ধ দায়িত্বশীল ও অগ্রসর চিকার নাগরিক গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য এবং সংহতিকে সুসংহত করে।
ইতিপূর্বে ২০১০ সালে গৃহীত শিক্ষানীতি তখনকার বাস্তবতায় অনেক যুগোপযোগী হওয়া সত্ত্বেও বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার তাদের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে সেটি বাস্তবায়ন করেনি।
তারা মুখে বৈষম্য দুরীকরনের বাণী উচ্চারণ করলেও বাস্তবে উগ্র জাতীয়তাবাদের রাজনীতি অনুশীলনের মাধ্যমে জাতি বিভক্তিকরণকেই প্রাধান্য দিয়েছে।
ফলে স্বাধীনতার পর থেকেই যেসকল বৈষম্য সমাজে বিদ্যমান ছিল, তার অধিকাংশগুলো বিগত সরকারের ১৭ বছরে প্রকট আকার ধারণ করেছে।
এর ফলে সমাজে তীব্র অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে, যা জাতি গঠন প্রক্রিয়াকে বিনষ্ট করার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
এছাড়াও বিগত সরকারের আমলে প্রশ্ন ফাঁস এর মত কেলেংকারী সহ নানা দুর্নীতি ও দলীয়করণের ফলে শিক্ষার মান এর ব্যাপক পতন ঘটে, যার ফলে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকার এর হার উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশে তরুণদের মাঝে আত্নহত্যা ও মাদক গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং তাদের বেকারত্বের হতাশাকে পুঁজি করে দেশে মব কালচার দেখা দিয়েছে এবং অসহিষ্ণু বিভক্তির রাজনীতি তার অবস্থান দৃঢ় করতে সক্ষম হয়েছে।
গণসংহতি আন্দোলন বিশ্বাস করে যে, একটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের দেশে সামাজিক ও
অর্থনৈতিক বৈষম্য দুর করতে সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে, এবং আমাদের জাতীয় ঐক্যের মাঝে যে ফাটলগুলো সৃষ্টি হয়েছে তা মেরামত করে ঐক্যবদ্ধ জাতিগঠনে সাহায্য করবে।
মূল লক্ষ্য


আমাদের প্রস্তাবিত শিক্ষা সংষ্কার এর মূল লক্ষ্য গুলো হবে
১) শিক্ষাকে বৈষম্যহীন ও সার্বজনীন করে তোলা
২) শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ
৩) নাগরিক ও মানবিক গুণাবলী এবং চারিত্রিক গঠন
৪) দেশের বিদ্যমান ও ভবিষ্যত শ্রম ঘাটতি পুরণে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন
৫) গবেষণাধর্মী উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তি তৈরী করে অর্থনৈতিক, সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার উন্নয়ন
৬) বয়স্ক শিক্ষা ও অনলাইন শিক্ষার নীতি প্রণয়ন
শিক্ষার বৈষম্য দুরীকরণ
আমাদের শিক্ষা খাতে বৈষম্যের প্রধান কারন সমূহ হচ্ছে দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকা, যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত না হবার ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যহত হওয়া, ও ঝরে পড়া, এবং আবাসন সংকট ও যাতায়াত ব্যবস্থা অনুন্নত হবার কারণে ভাল শিক্ষক প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকতে না চাওয়া।
এসকল সমস্যা সমাধানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ অব্যাহত রাখতে হবে এবং নতুন বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে খেলার মাঠ সহ অন্যান্য অবকাঠামোগত শর্তের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রান্তিক এলাকায় শিক্ষকদের জন্য উন্নত আবাসন এর ব্যবস্থা এবং দুর্গম এলাকায় পুরোপুরি আবাসিক স্কুল নির্মাণ করতে হবে। এর ফলে গ্রামেও ভাল শিক্ষক থাকতে আগ্রহী হবেন এবং শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধি পাবে, এবং ঝরে পরার হার
কমে যাবে ।
দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম কে মানবাধিকার হিসেবে বিবেচনায় তা বিনামূল্যে প্রদান করা হবে, এবং দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা অর্জনকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
বয়স্ক নাগরিকেরা সাধারণ স্কুল এ নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে মানিয়ে নিতে সক্ষম নন। তাছাড়া নিয়মিত শিক্ষার্থীরা শৈশবে ও কৈশোরে যে পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণ করেন, তার অধিকাংশই বয়স্কদের উপযোগী নন।
তাই বাংলাদেশের জন্য উপযোগী বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম পদ্ধতি (Adult Learning Method) বাস্তবায়ন করতে হবে।
অন্যদিকে অনলাইন মাধ্যম শিক্ষার জন্য দেশে দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি দূরশিক্ষণ, ঐচ্ছিক শিক্ষা, এমনকি বয়স্ক শিক্ষার জন্য কার্যকরী মাধ্যম হতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক কোর্স চালু করবে। তবে এসব ক্ষেত্রে শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ এর জন্য অনলাইন শিক্ষা নীতিমালা তৈরী করতে হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষা
বর্তমানে আলিয়া মাদ্রাসা বোর্ড ও নিয়মিত শিক্ষা বোর্ড এর কারিকুলাম এর মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। ফলে আমাদের এই শিক্ষা সংষ্কার প্রস্তাবনা আলিয়া মাদ্রাসা বোর্ড এর ক্ষেত্রেও প্রয়োগ এর প্রস্তাব করা হচ্ছে।
কওমি শিক্ষা বোর্ড এর দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্স সমমান দেয়া হলেও প্রচলিত ব্যবস্থায় এর সমমান নিশ্চিত করণের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
এই প্ল্যাটফর্ম থেকে গণসংহতি আন্দোলন কওমি ঘরানার সম্মানিত আলেমদের আলোচনার জন্য আহবান জানাচ্ছে। যাতে আমরা বিভিন্ন ধারার শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যকার সমমান নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিতে পারি, একইসাথে আব্বাসীয় ও আন্দালুসীয় আমলের মাদ্রাসা শিক্ষার মান পুনরুদ্ধার করা যায়।
শিক্ষার মাধ্যমে নাগরিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলা
শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ব্যাক্তিগত আর্থিক মুক্তি অর্জন হতে পারে না। বরং উন্নত জাতি গঠনের জন্য শিক্ষার্থীদের ন্যায় অন্যায়, সহনশীলতা, অপরের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন, ও পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীল আচরণ এর অভ্যাস ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষাদান করা হবে।
পাঠ্যপুস্তকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সহ দেশের গণমানুষের অধিকার আদায়ের সকল আন্দোলনে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সহ অন্য সকল জনগোষ্ঠীর অবদান, এবং দেশের জন্য বিরল সম্মান অর্জনে তাদের কৃতিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পড়ানো হবে। যাতে করে সব জাতিগোষ্ঠীকে মর্যাদার চোখে দেখতে শেখানো
সম্ভব হয়।
এর ফলে দেশে শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, দুর্নীতি হ্রাস পাবে, পরিবেশ ও প্রাণ বৈচিত্র রক্ষা পাবে, এবং জাতি ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

প্রদানের সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান ও গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে।
১৩. বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষক কর্মচারী সমন্বয়ে বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার যে ধারা তার বদল ঘটাতে হবে। ছাত্রদের শিক্ষা আবাসন কিংবা শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাই যাতে একমাত্র মাপকাঠি হয়, কারো রাজনৈতিক পক্ষপাত যাতে করে বিবেচনার বিষয় না হতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো ও সংস্কৃতি গড়ে তুলতে
হবে।
১৫. শিক্ষা খাতের সাথে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে একীভূত করার চলবে না। এবং এই দুই খাতের বাজেট আলাদাভাবে প্রণয়ন
করতে হবে।
১৬. শিক্ষা খাতের পুনর্গঠনে একটি কমিশন গঠন করতে হবে এবং সেখানে যোগ্য, দক্ষ, অভিজ্ঞ শিক্ষক, চিন্তক ও এ বিষয়ে সক্রিয় নাগরিকদের যুক্ত করতে হবে। এই পুনর্গঠনের জন্য সময় প্রয়োজন এবং তার সাথে সম্পর্কিত ভাবে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষকদের প্রস্তুত করতে হবে। তড়িঘড়ি করে কোন কিছু শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। বিদ্যমান শিক্ষাক্রমে যেসব পরিবর্তন প্রত্যাবশ্যক সেগুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করে শিক্ষা কার্যক্রমের গতি সচল রাখতে হবে।
১৭. সকলে পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য উচ্চ শিক্ষা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রশিক্ষণের সময়কাল প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়াতে হবে। উচ্চতর শিক্ষায় শিক্ষকদের অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের জন্য সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
পরিশিষ্ট
প্রস্তাবের শুরুতেই বলা হয়েছিল শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু মানুষকে উপার্জনক্ষম করে তোলা নয়, বরং তার মধ্যে মানবিক গুণাবলী বিকাশ ও নাগরিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাও শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। গণসংহতি আন্দোলন বিশ্বাস করে যে আমাদের এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হলে আমাদের দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটার পাশাপাশি আমাদের বিভেদ দূর হয়ে ঐক্যবদ্ধ জাতিগঠন প্রক্রিয়ার সূচনা হবে। এবং আমরা অগ্রসর চিন্তার গর্বিত জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/11/24/15278/feed 0
কুষ্টিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/10/26/14035 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/10/26/14035#respond Sun, 26 Oct 2025 09:33:39 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=14035  

কুষ্টিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে শহরের এনএস রোডে অবস্থিত সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং বিতর্কিত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানান।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সাতটি পদে মোট ১১৫টি শূন্যপদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন প্রায় ১৬ হাজার ৭৮৯ জন প্রার্থী।

পরীক্ষার আগের রাতে কুষ্টিয়া শহরের একটি বাসায় ২৫–৩০ জন পরীক্ষার্থীর রহস্যজনকভাবে প্রবেশ ও পরদিন সকালে সেখান থেকে বের হওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, যেই বাসা থেকে পরীক্ষার্থীরা বের হচ্ছিলেন, সেটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমামের বাড়ি। অভিযোগ ওঠে, সেখানে আগেই প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করানো হয়েছিল।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্নীতির মধ্যেই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।

আজই পরীক্ষা বাতিল ও নতুন তারিখ ঘোষণা করতে হবে, না হলে কাল কুষ্টিয়া অচল করে দেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে আরএমও ডা. হোসেন ইমাম বলেন, ভোররাতের ঘটনাটি আমি জানি না। আমার পৈত্রিক বাড়িতে একাধিক মেস রয়েছে। পরীক্ষার্থীরা সম্ভবত সেখানে ছিল।
তারা কেন পালিয়েছে, তা আমার অজানা।
অন্যদিকে সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। আমরা বিষয়টি লিখিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। পরবর্তী ব্যবস্থা তারা নেবে।

এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি ব্যাখ্যাপত্রও পাঠিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/10/26/14035/feed 0
সাত কলেজের অস্তিত্ব সংকটে, শিক্ষকদের স্পষ্ট বার্তা https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/24/12444 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/24/12444#respond Wed, 24 Sep 2025 11:03:36 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=12444 সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। তারা বলছেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সাত কলেজের অস্তিত্ব মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা কলেজের সামনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) সাধারণ শিক্ষা সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন শিক্ষকরা। এতে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

তাদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া অনুসারে সাত কলেজের স্বতন্ত্র সত্তা ও কাঠামো বিলুপ্ত করে সেগুলোকে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামোর অধীনে আনা হচ্ছে। কলেজগুলোকে “স্কুল” বা “ফ্যাকাল্টি” হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়।

ঐতিহ্য বিনষ্টের আশঙ্কা

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা বলেন, সাত কলেজের রয়েছে দীর্ঘদিনের গৌরবময় ঐতিহ্য। এসব প্রতিষ্ঠান শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে “প্রকল্পের অংশ” বানিয়ে গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

তারা বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থায় মানোন্নয়ন আনতে হলে প্রতিষ্ঠান ধ্বংস নয়, বরং তাদের স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সাত কলেজকে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ বানানো হলে, এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে যাবে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

কাঠামো পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

বক্তারা বলেন, সাত কলেজকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে নাম, স্বাতন্ত্র্য ও প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। এটি এক ধরনের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত। তারা সাফ জানিয়ে দেন, কোনোভাবেই এসব প্রতিষ্ঠানের নাম, কাঠামো বা ঐতিহ্য পরিবর্তন মেনে নেওয়া হবে না।

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণাকে “চিন্তাহীন ও বাস্তবতাবিবর্জিত” উল্লেখ করে শিক্ষকরা বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের নামে আজ প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের পথ তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনিক সুবিধা বা মান উন্নয়নের কথা বলে যদি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই কল্যাণকর হবে না।”

কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

শিক্ষক নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সাত কলেজের স্বকীয়তা রক্ষা না হলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যাবেন। “শুধু শিক্ষক নয়, লাখো শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে,” বলেন এক শিক্ষক নেতা।

সাত কলেজের পরিচয়

উল্লেখ্য, সাতটি সরকারি কলেজ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এগুলো হলো—
১. ঢাকা কলেজ
২. ইডেন মহিলা কলেজ
৩. সরকারি তিতুমীর কলেজ
৪. বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ
৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ
৬. কবি নজরুল সরকারি কলেজ
৭. সরকারি বাঙলা কলেজ

এসব কলেজে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখেই সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান শিক্ষকরা।

সাত কলেজ নিয়ে যে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার আগে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত গ্রহণ এবং বাস্তবতা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত। শিক্ষকরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয়— ঐতিহ্যকে জলাঞ্জলি দিয়ে উন্নয়ন নয়, প্রয়োজন সহানুভূতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক নীতি গ্রহণ।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/24/12444/feed 0
রাবিতে শাটডাউন স্থগিত, ক্লাস বন্ধ https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/24/12430 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/24/12430#respond Wed, 24 Sep 2025 09:24:17 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=12430 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের সাত দিনের শাটডাউন কর্মসূচি সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছেন। তবে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম জানিয়েছে, কর্মকর্তাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে তাদের ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স সমিতির কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দাবি পূরণের আশ্বাস পাওয়ায় তারা শাটডাউন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবিসমূহ পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি পুনরায় শুরু করা হবে।

অপরদিকে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল আলীম বলেন, কর্মকর্তাদের ওপর হামলার কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। শাস্তি নিশ্চিত না হলে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান জানান, কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের একাংশ ইতোমধ্যে ক্লাসে ফিরে গেছেন এবং কিছু বিভাগে পরীক্ষা ও শ্রেণিকক্ষে কার্যক্রম চলছে। অন্যদিকে, বাকিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শাটডাউন কর্মসূচির প্রতিবাদে একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির রাবি শাখা মানববন্ধনও করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান এই উত্তেজনা দ্রুত মিটিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা স্বাভাবিক করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/24/12430/feed 0
রাবিতে পোষ্য কোটা ইস্যুতে আন্দোলন: উপ-উপাচার্যের ওপর ‘হামলার’ প্রতিবাদে কর্মবিরতি চলছে https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/21/12277 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/21/12277#respond Sun, 21 Sep 2025 08:21:08 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=12277 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা পুনর্বহালের বিরোধিতা করে চলমান আন্দোলনের মধ্যে উপ-উপাচার্যসহ কয়েকজন শিক্ষককে ‘লাঞ্ছিত’ করার প্রতিবাদে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী স্মৃতি চত্বরের সামনে অবস্থিত লিচুতলায় অবস্থান নেন তারা। কর্মবিরতির অংশ হিসেবে বন্ধ রাখা হয়েছে সব ধরনের অফিসিয়াল কার্যক্রম। তবে কিছু বিভাগ নিজ উদ্যোগে ক্লাস ও পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকদের কাউকে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা যায়নি।

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবি, শনিবার যারা উপ-উপাচার্য ও শিক্ষকদের গায়ে হাত তুলেছেন, তাদের আজকের মধ্যেই বহিষ্কার করতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স সমিতির সভাপতি মুক্তার হোসেন বলেন, “ছাত্র নামধারী কিছু সন্ত্রাসী উপ-উপাচার্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। এমনকি তাকে বাসায়ও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে শাস্তি দিতে হবে।”

কর্মসূচির রাকসুতে কোনো প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, “এই কর্মসূচির সঙ্গে রাকসুর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। রাকসু আমাদের আন্দোলনের বাইরের বিষয়।”

অফিসার্স সমিতির কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা বলেন, “যারা ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে। যারা বহিরাগত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব দাবি মানা না হলে আগামীকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

এর আগে শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মাঈন উদ্দীনের গাড়ি অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে তিনি হেঁটে বাসভবনের দিকে রওনা হলে শিক্ষার্থীরা তার বাসার গেট বন্ধ করে দেন। উপাচার্য বাধ্য হয়ে জুবেরী ভবনে আশ্রয় নেন। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সেখানে উপ-উপাচার্যসহ আরও কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে আটকে রাখা হয়।

ঘটনার প্রেক্ষাপটে শনিবার রাতেই জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আব্দুল আলীম সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় আন্দোলন আরও তীব্র হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহিংসতা ও কোটা নিয়ে এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মহল।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/21/12277/feed 0
একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষা কোটার ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত: হাইকোর্টের নির্দেশনায় শিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/21/12274 https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/21/12274#respond Sun, 21 Sep 2025 07:42:45 +0000 https://dailyaparadhchakra.com/?p=12274 চলতি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে “ইকিউ-২” শিক্ষা কোটার অধীনে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

এ সিদ্ধান্ত হাইকোর্টের দেওয়া একটি স্থগিতাদেশের আলোকে নেওয়া হয়েছে। পূর্বে, ১০ আগস্ট শিক্ষা কোটাসংক্রান্ত একটি ভর্তি নির্দেশিকা জারি করেছিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি, যেখানে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরা এই কোটার আওতায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেন।

তবে বাস্তবে দেখা গেছে, এই কোটার আওতায় ভর্তির ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, অনেক শিক্ষার্থী ভুয়া পরিচয় ও জাল নিয়োগপত্র দেখিয়ে এই সুযোগ গ্রহণ করেছে। এমনকি দেখা গেছে, সরকারি চাকরিজীবী না হয়েও কিছু ব্যবসায়ী ও বেসরকারি চাকরিজীবীর সন্তান এই কোটায় আবেদন করেছেন এবং বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছেন।

এই অনিয়মের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর আদালতে একাধিক রিট দায়ের হয়। এরপর হাইকোর্ট শিক্ষা বোর্ডকে কোটা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে আপাতত ইকিউ-২ কোটার আওতায় কোনো শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না।

বোর্ড জানিয়েছে, আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই কোটার আওতায় কোনো নতুন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে না। তবে ইতোমধ্যে যারা এই কোটার আওতায় ভর্তি হয়েছে, তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শিক্ষা মহলে এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কোটাভিত্তিক ভর্তির মতো সংবেদনশীল বিষয়ে কীভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনকারীদের ভর্তি দেওয়া হলো। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকেও বঞ্চিত করছে।

এই ঘটনায় শিক্ষা প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা, যাচাই প্রক্রিয়ার দুর্বলতা এবং কোটাব্যবস্থার যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

]]>
https://dailyaparadhchakra.com/education/2025/09/21/12274/feed 0