আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে যখন উত্তেজনা বাড়ছে, ঠিক তখনই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১ সেপ্টেম্বর) তাঁর সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’তে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবেন তিনি।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় যমুনার বাইরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “সরকার বদ্ধপরিকর—আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো ষড়যন্ত্র বা প্রতিবন্ধকতা নির্বাচন পেছাতে পারবে না।”
এদিকে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যেই ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে চলমান মতপার্থক্য এবং রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অবিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক অঙ্গন ও নাগরিক সমাজে প্রশ্ন উঠেছে—ঘোষিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন হবে কি না। তবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন উভয়েই জানিয়েছে, নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
এই বৈঠকে বিরোধী দলগুলোর দাবিদাওয়া, নির্বাচনী পরিবেশ, তত্ত্বাবধায়ক কাঠামোসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com