নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের নিজেদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণও প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, এমপি।
শনিবার (৩ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের লোহারপুল খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নিজেদের সচেতনতা ছাড়া কোনো সরকারের পক্ষেই নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।”
খাল-নালা পরিষ্কারে নাগরিক অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব
লোহারপুল খাল পরিষ্কার-
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নাগরিকদের সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে
ধরা হয়। নগরীর খাল, নালা ও জলপথ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এসব স্থানে যাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা না হয়, সে বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে খাল ও ড্রেনের পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সড়কসংলগ্ন এলাকায় বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার বিষয়ে নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় খাল ও জলাধারকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশন নিয়ে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
লোহারপুল খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হলে খালের পানি প্রবাহ, পরিবেশ ও স্থানীয় জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে পরিষ্কার করার পর পুনরায় যাতে খালে বর্জ্য না ফেলা হয়, সে বিষয়ে কার্যকর নজরদারি ও জনসচেতনতা জরুরি।
নগর পরিচ্ছন্নতা কেবল কোনো একক সংস্থা বা সরকারের দায়িত্ব নয়—এটি নাগরিক ও প্রশাসনের সম্মিলিত দায়িত্ব। তাই পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিক আচরণে পরিবর্তন ও পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
প্রকাশক ও সম্পাদক:- আমিনা খাতুন ইভা
নির্বাহী সম্পাদক: জাহাঙ্গীর আলম ভিপি
All rights reserved ©2026 dailyaparadhchakra.com