মোস্তাক চৌধুরীঃ ২৮ জুন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনগর উপজেলার সম্মেলন । উক্ত সম্মেনকে ঘিরে রাজনগর উপজেলা সর্বত্র জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। পোষ্টারে পোষ্টারে চেয়ে গেছে রাজনগর। সৌসালা মিডিয়া নানা রঙের নানা কথা। দীর্ঘ দিন পর রাজনগর উপজেলায় সরগরম হয়ে উটে রাজনগরের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গন। কে হচ্ছেন রাজনগর উপজেলার আগামী দিনের বিএনপির কর্ণধার। কে হচ্ছেন আগামী সরকারের রাজনগর উপজেলার সরকারী দলের সভাপতি/ সম্পাদক। এ নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নাই।
রাজনগরের বিএনপির নেতা কর্মী ও জেলার নেতা কর্মীর সংঙ্গে আলাপ আলোচনা করে জানাগেছে কাউন্সিলে কাউন্সিলারদের ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত করা হবে গনতান্ত্রিক পদ্বতিতে। উক্ত সম্মেলনের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদন্দিতা করছেন সিনিয়র রাজনীতিবিদ,বিশিষ্ট শিক্ষানবিশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্টাকালীন যুগ্ম আহবায়ক, সাবেক রাজনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, জাগদল রাজনগর উপজেলার অন্যতম প্রতিষ্টাতা আব্বাস আলী মাষ্টার।
এ নিয়ে জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি আব্বাস আলী মাষ্টারের মুখোমুখি হলে তিনি বলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্টালগ্ন থেকে আমি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা মরহুম রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের ডান পন্থি বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনৈতি করে আসছি। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রি, উন্নয়নের রুপকার আমার নেতা যার হাতে আমার রাজনৈতি হাতেখড়ি। যার হাতধরে আমি রাজনৈতির রাজপথে পথ চলতে শিখেছি। মরহুম এম সাইফুর রহমানের নীতি ও আদর্শ ও উন্নয়নের রাজনীতিকে সামনে নিয়ে আমি আজ অবধী রাজপথে ছিলাম। আছি। থাকবো।
তিনি বলেন আমি আগামী ২৮ জুনের সম্মেলনের কাউন্সিলে রাজনগর উপজেলায় সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি। আমার দল গনতন্ত্রকামী দল তাই গনতান্ত্রিক ভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে আমি প্রার্থী হয়েছি। সম্মানিত রাজনগর উপজেলার কাউন্সিলারগন গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যদি আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন তবে আমি সততার সাথে দলকে একটি একক সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্টা করতে আমার সর্ব শক্তি দিয়ে চেষ্টা করবো ইন্সাআল্লাহ। তিনি বলেন দলকে একটি অসাম্প্রদায়িক জবাবদিহি মুলক সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্টা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কাজ করে যাবো। তিনি আরো বলেন উক্ত কাউন্সিলে আমি সাধারণ সম্পাদক হিসাবে প্রার্থী হয়েছি দল যদি আমাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নাও করে যিনি নির্বাচিত হবেন আমি তাকে মেনে নেব।দলের জন্য কাজ করে যাবো।
রাজনগরের সৎ সাহসী কর্তব্যপরায়ন রাজনীতিক নেতা আব্বাস আলী মাষ্টার বলেন সম্মেলনের কিছুদিন পড়েই জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ নির্বাচনকে সফল করতে বহুদলীয় গণতন্ত্রে রুপকার অসাম্প্রদায়িক বাঙালি চেতনার ধারক বাহক সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী সাবেক সংসদ সদস্য মৌলভীবাজারের মাটি ও মানুষের নেতা জনপ্রিয় জননেতা সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য আমার নেতা এম নাসের রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে সভাইকে দল মত পথের উর্ধে উটে কাজ করতে হবে। দলকে শক্তিশালী করতে দলের গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে পড়া মরহুম সাইফুর রহমানের ভক্তকূল বিএনপির নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করতে হবে। দলকে সংগঠিত করতে সকলে মিলে কাজ করতে হবে।
রাজনগর সরকারী কলেজ মাটে রাজনগর উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সম্মেলন। উক্ত সম্মেলন শেষে কাউন্সিলে সভাপতি সিনিয়র সভাপতি সাধারণ সম্পাদক যুগ্ম সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক সহ পাঁচটি পদে গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচিত করা হবে। শ শ পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদন্দিতা করছেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্হিত থাকবেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জিকে গৌস। এছাড়া বিএনপির স্হায়ী কমিটির সদস্য সাবেক জেলা বিএনপির সভাপতি এম, নাসের রহমান এমপিসহ জেলা বিএনপির নেত্রিবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
উক্ত কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রার্থী রয়েছেন তিনজন তারা হলেন জেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম সেলুন, রাজনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক উত্তরভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিতু মিয়া ও রাজনগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক রাজনগর উপজেলা যুবদল নেতা এমরান লতিফ খোকন। সহ সভাপতি পদে প্রতিদন্দিতা করছেন সাবেক রাজনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম বখত সুন্দর ও উত্তরভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ কবির মিয়া সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদন্দিত করছেন তিনজন তারা হলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মৌলভীবাজার জেলার প্রতিষ্টাকালীন যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক রাজনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্বাস আলী মাষ্টার, সাবেক যুবদল নেতা ফজলুল হক নিরু সাবেক রাজনগর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি যুবনেতা এনামুল হোসেন চৌধুরী এনাম।
জানাগেছে ১৯৭৮ সালের শুরুতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা মরহুম রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রপ্রতি হন তখন আব্বাস আলী মাষ্টার মৌলভীবাজার সরকারী কলেজে অধ্যায়নরত। সেই সময় মৌলভীবাজার সরকারী কলেজ ডিগ্রী কলেজ ছিলো। আব্বাস আলী মাষ্টার জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রিক দল বাংলাদেশী জাতীয়তাদের আদর্শ বিশ্বাসী হয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। তিনি ছাত্রদলের মৌলভীবাজার জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন সেই কমিটির দ্বিতীয় যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন রাজনগরের কামারচাক ইউনিয়নের জেরিস আহমেদ বর্তমানে সেঁ বৃটেন প্রবাসী। এই কমিটিই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্টাকালীন আহবায়ক কমিটি মৌলভীবাজার জেলার।
তিনি বলেন জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শ উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্র রাজনীতির সাথে যখন যুক্ত তথকালীন সময়ে মৌলভীবাজার ডিগ্রি কলেজে হাতেগোনা কয়জন ছাত্র নিয়ে তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। তারপর তিনি মৌলভীবাজার জেলা সবকটি উপজেলা যেমন রাজনগর, কুলাউড়া, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ থানায় ছাত্রদলে আহবায়ক কমিটি গঠন করে পড়ে বেশ কিছুদিন কাজ করে সবকটি থানায় তিনি কার্যকরী কমিটি গঠন করতে সক্ষম হয়েছিলেন । তার কিছুদিন পুর্বে ডিগ্রি পাশ করে তিনি রাজনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্টান খলাগাঁও করিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। কিন্তুু হাল ছাড়েননি রাজনীতির। তিনি জীবনের ঝুকি নিয়ে শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছে।
সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান বানিজ্য উপদেষ্টা হয়ে যখন মৌলভীবাজার আসেন এবং মৌলভীবাজার জেলা জাগদলের আহবায়ক কমিটি গঠন করেন তখন বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট মরহুম সৈয়দ আব্দুল মতিন জিপিকে আহবায়ক করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তিনি বলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলভীবাজার জেলার প্রবক্তা মরহুম এম সাইফুর রহমানের হাত ধরেই আমার রাজনৈতির হাতেখড়ি। তাঁর নেত্রিত্বে ৭৯ সালে রাজনগর উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হই একটি কাউন্সিলের মাধ্যমে। তখন যুবদলের সভাপতি ছিলেন রাজনগরের আব্দুল হাকিম বখত সুন্দর। তারপর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি নির্বাচিত হই। এর কিছুদিন পর এক বিশাল সম্মেলনের মাধ্যমে আমি রাজনগর উপজেলা যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হই। সেই সম্মেলনে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তখন এম সাইফুর রহমান প্রথম অর্থমন্ত্রি হয়েছিলেন।
এম সাইফুর রহমানের হাত ধরেই আমার ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতিতে আশা আজ অবধি জাতীয়তাদী দলের আদর্শে দীক্ষা নিয়ে রাজপথে আছি ছিলাম থাকবো। তিনি যুবদলের নেতা থাকাকালীন নিএনপির রাজনীতিকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছেন দিন কে রাত করে। মরহুম আতাউর রহমান চৌধুরীকে সভাপতি করে যখন বিএনপির রাজনগর থানা কমিটি গটন করা হয় সেই কমিটির তিনি শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । তারপর জামি আহমেদকে সভাপতি করে যখন রাজনগর উপজেলা বিএনপির কমিটি করা হয় সেই কমিটির তিনি সহ সভাপতি ছিলেন।তিনি বলেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন থাকাকালে বেশ কিছু দিন তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তখন তাঁর উপর হামলা মামলা তটস্ত্র ছিলেন। বর্তমানে তিনি আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বরত।
আব্বাস আলী স্যার আমার সরাসরি শিক্ষক। আমি যখন পাইমারীর গন্ডি পেড়িয়ে খলাগাঁও করিমপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভর্তি হই তখন কিছু দিন হয় স্যার বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে এসেছে। আমাদের স্কুলের খেলাধুলা মিলাদ সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের কেন্দ্র বিন্দু ছিলেন আব্বাস স্যার। আমাদের যে কোন সমস্যা স্যারের সাথে আলাপ করতাম। স্যারের সাথে খুব ফি ছিলাম । আমি যখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি তখন স্যার একদিন আমাদের কয়েকজনকে ডেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হতে বলেন আমি সরাসরি স্যারকে না বলিনি। তখন কিন্তু আমি কোন রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম না। স্কুলের ক্লাস কেপ্টিন ছিলাম । স্যারকে পড়ে জানাবো বলে কেটে পড়ি।
স্যার শিক্ষকতা পেশা থাকলে স্যারের মূল পেশা নেশা ছিল রাজনীতি। স্কুল শেষেই স্যার স্হানীয় মুন্সীবাজার গিয়ে রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন দেখতাম। ৯০ দশকে যখন আমরা কলেজের ছাত্র তখন ৯০ য়ের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে স্যার একজন শিক্ষক হয়েও আমরা ছাত্রদের আন্দোলনে ছাত্রদের সাথে কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তখন স্যার যুবদলের রাজনগরের সভাপতি ছিলেন। ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে স্যার মিডিং মিছিলে নিয়মিত উপস্থিতি ছিলেন । তখন স্যার /ছাত্র আমরা একাকার হয়ে যাই। আমরা স্যারের দল না করলেও স্যারের সাথে আমাদের সম্পকের কোন অবনতি হয়নি। যে কোন বিষয়ে স্যার আমাদের সাথে আলাপ আলোচনা করতে। আমার লেখাপড়া রাজনীতি সমাজনীতি নিয়ে কথা বলতে। সহযোগিতা করতেন।
স্যার আপাদমস্তক একজন সৎ সাহসী প্ররিশ্রমী সাদা মাটা সাদা মনের মানুষ ছিলেন। উভ লোভ বলতে স্যারের কোনদিন দেখিনি। স্যারের জীবনে অনেক অভাব অনটন ছিল কারন তাঁর আয় রোজগারের উৎস ছিল তিনির শিক্ষকতা পেশা এ নিয়ে সংসার চালাতে হতো। মরহুম অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রি তখন স্যারের সাথে খুব গভীর সৈকতা ছিল। মানুষ বলতো আব্বাস স্যার মন্ত্রীর ডান হাত। আমরাও দেখতাম। আমাদের রাজনগরের রাস্তা ঘাট হাট মাট বাজার স্কুল কলেজ মাদ্রাসার অনেক উন্নয়ন মরহুম এম সাইফুর রহমান কতৃক আব্বাস স্যার করে দিয়েছেন। মরহুম সাইফুর রহমানের ছুয়ায় রাজনগরের অনেক নেতাই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন কিন্তুু স্যারের বা স্যারের পরিবারের ব্যক্তিগত কোন উন্নয়ন আমাদের নয়, কারো চোখে পড়েনি। মুন্সীবাজারের সবকটি রাস্তা স্যার কতৃক পাকাকরন করা হয়েছে তবে স্যারের বাড়ির রাস্তা এখনও কাঁচা। ইদানীং স্যারের পরিবার ভাল অবস্থানে রয়েছেন কারন স্যারের ছেলে মেয়ে বৃটেনে স্হায়ী ভাবে বসবাস করছে।
রাজনগরের বিএনপির তির্নমূলে নেতা কর্মিদের সাথে আলাপকালে তারা বলে আব্বাস আলী মাষ্টার একজন সৎ সাহসী কর্তব্যপরায়ন পরোপকারী ও দুর সময়ের কান্ডারী । একজন সাদা মনের মানুষ। একজন শিক্ষক/ শিক্ষানুরাগী দানশীল মানুষ। একজন সৎ ও যোগ্য নেতা তারা আব্বাস আলী মাষ্টারকে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখতে চায়। রাজনগর উপজেলার বিএনপির কাউন্সিলারদের সংঙ্গে আলাপ আলোচনা করে জানা গেছে সকল দল মত পথের উর্ধে উটে আব্বাস আলী মাষ্টারকে বিএনপির কাউন্সিলর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সেটা আমাদের ধারনা।
পরিশেষে আমরা যারা স্যারের ছাত্র রাজনগরের উন্নয়নে কল্যাণে স্যারের জন্য শুভ কামনা করছি।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com