কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মরা কালিগঙ্গা নদী থেকে নাছিমা খাতুন (৪০) নামে এক গৃহবধূর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের দুধকুমড়া এলাকায় মরদেহটি দেখা যায়।
নিহত নাছিমা খাতুন ওই এলাকার দিনমজুর মহেদ আলীর স্ত্রী। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। ছেলে রাজিব হোসেন প্রথমে দাবি করেন, রাত একটার পর থেকে মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে পরে তিনি বলেন, সকালে গোসল করতে গিয়েই মা নিখোঁজ হন। অপরদিকে স্বামী মহেদ আলীর দাবি, ভোরে ফরজ গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন তার স্ত্রী।
কিন্তু নিহতের চাচা ইসমাইল শেখ অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। পারিবারিক কলহের জেরেই নাছিমাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সারাদিন স্বামী-স্ত্রী নদী থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করেছিলেন। পরদিন সকালে জেলেরা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক নারী বলেন, “যদি ডুবে মারা যেত, তবে এতো দ্রুত ভেসে ওঠার কথা নয়।”
কুমারখালী থানার ওসি খোন্দকার জিয়াউর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com