ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁকে মাথায় গুলি করে। আজ (২০ ডিসেম্বর) লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। সরকার আজকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছে।
তদন্তের অগ্রগতি: মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপ নিয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত "ফয়সাল করিম মাসুদ" (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা) এখনো পলাতক; গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী তিনি ভারতে (মহারাষ্ট্রে) অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবীকে দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য সহযোগীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে এটি পরিকল্পিত হত্যা, এবং কিছু সূত্র মাস্টারমাইন্ড হিসেবে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন আহমেদের নাম উল্লেখ করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব ও মানবাধিকার কমিশনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিক্রিয়া ও পরিস্থিতি: হাদীর মৃত্যুর পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে (প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা সহ)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এটিকে "দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি" বলে উল্লেখ করেছেন এবং দোষীদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক:- আমিনা খাতুন ইভা
নির্বাহী সম্পাদক: জাহাঙ্গীর আলম ভিপি
All rights reserved ©2026 dailyaparadhchakra.com