দিঘলিয়া উপজেলা-য় যুবদল নেতা খান মুরাদ (৪৫) হত্যার ঘটনায় এলাকায় তীব্র আসর হাজীগ্রাম ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সেনহাটি ইউনিয়নের বকশিবাড়ি এলাকায় দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্যে মুরাদের ওপর হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ ও আলামিনসহ ১৫-২০ জন হামলায় অংশ নেয়। হামলাকারীরা তাকে একটি দোকানের ভেতরে আটকে ছুরিকাঘাত করে এবং দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দিঘলিয়া থানার ওসি মো. শাহ আলম জানান, কয়েকদিন আগে একটি বিষয় নিয়ে মুরাদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদের কথা কাটাকাটি হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
জানাজায় উপস্থিত খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।” তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন এবং বিলম্বে হতাশা প্রকাশ করেন।
এদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, “যারা প্রকাশ্যে একজন রাজনৈতিক কর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
নিহতের পরিবার দাবি করেছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হোক।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com