রমজান ঘিরে পাবনার ঈশ্বরদীতে সবজির বাজার মূল্য হয়েছে ঊর্ধ্বমূখী৷ স্থানীয় হাট বাজার গুলোতে ক্রেতাদের ভীড় থাকলেও স্বস্তি নেই জনমনে৷ কেননা রমজান শুরুর সাথে সাথেই কিছু সবজির দাম বেড়েছে কয়েকগুনে। এতে পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে নাভিশ্বাস হচ্ছে মধ্যবিত্তদের।
উপজেলার সবচেয়ে বড় সবজির পাইকার বাজার শহরের পৌর মার্কেট, দাশুজিয়া বাজার, বড়ইচরা হাট, মুলাডুলি সবজি আড়ৎ এবং আওতাপাড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধ্যের মধ্যে আলুর কেজি ১২/২০, ফুলকপি ২০/৩০, বাধা কপি ২০ টাকা কেজি হলেও আকাশ ছুয়েছে লেবু। প্রতি কেজি লেবুর দাম হাকানো হচ্ছে ১৬০, বেগুন ৮০/১০০, ক্ষীরা ৮০/৯০, টাকা, করলা ১৫০, সজিনার কেজি ২০০, লাউ ৩০ /৪০, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, শিমের বিচি ৬০, শিম ৪০ টাকা , মটরসূটি ৬০, টমেটো ৩০/৫০, টমেটো কাঁচা ৩০,পুঁই শাক ৩০ টাকা আটি, পেঁপেঁ ৩০, কাঁচা মরিচ ১৩০, পিঁয়াজ ৪০, আদা ১২০, রসুন ৮০, গাজর ৩০, পুঁইফল ৬০ টাকা কেজি, মিষ্টি আরু ৩০, কাঁচা কলার হালি ২০ টাকা, শাকের ডাটা ১৫ টাকা আটি, লাল ও সাদা শাক ৮ টাকা আটি।
বাজার করতে আসা রিক্সা চালক করিম মোল্লা জানান, রমজানের শুরুতে রাস্তা ঘাটে এমনিতেই লোকজন কম থাকে। তাই আমাদের আয় রোজগারও কম থাকে। অন্যদিকে সারাদিন রোজা রেখে একটু ভালো মন্দ না হলে খাওয়া যায়না। কিন্তু বাজারে আসলে তো মাথায় হাত পড়ে। জিনিস পত্রের যা দাম তাতে কি কিনব আর না কিনব সেটাই মিলাতে পারি না।
এসময় তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বাজার মনিটরিংয়ের বিষয়ে আবেদন জানিয়ে বলেন, সরকারি সাহেবরা যদি বাজারে এসে দেখত তাহলে হয়ত দাম কিছুটা কমত। কারণ এখন তো সবাই সিন্ডিকেট করে চলে।
ঈশ্বরদী বাজারের সবজি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শীতের শেষে বাজারে সবজি আমদানি অপেক্ষাকৃত কম। অন্যান্য সময় সেভ�
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com