২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেবল একটি ব্যক্তিগত ঘটনা নয়; এটি দেশের রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনার বার্তা বহন করে। দীর্ঘ প্রবাস-পর্বের অবসান রাজনীতির ধারাবাহিকতায় যেমন একটি অধ্যায়ের ইতি টানে, তেমনি ভবিষ্যতের জন্য নতুন প্রত্যাশাও জাগিয়ে তোলে। এই প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগকে বিস্তৃত করতে পারে—যেখানে মতভিন্নতা থাকবে, তবে সহাবস্থান ও সংলাপের পথও প্রশস্ত হবে।
আশাবাদ এখানেই যে, এই মুহূর্তটি রাজনীতিকে আরও দায়িত্বশীল ও প্রাতিষ্ঠানিক ধারায় ফেরাতে সহায়ক হতে পারে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের সামনে এখন সুযোগ—জনআকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সংযম, সহনশীলতা ও আইনানুগতার ভিত্তিতে পথচলা। প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে উঠলে গণতন্ত্রের ভিত আরও মজবুত হবে।
একই সঙ্গে প্রত্যাবর্তন স্মরণ করিয়ে দেয় দায়বদ্ধতার কথা। জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক নেতার মতোই তারেক রহমানের সামনেও থাকবে বিশ্বাস অর্জনের চ্যালেঞ্জ—কথা ও কাজে সামঞ্জস্য রেখে। যদি এই অধ্যায়টি দায়িত্বশীল রাজনীতি, নীতিনিষ্ঠতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের দিকে এগোয়, তবে ২৫ ডিসেম্বর ভবিষ্যতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচক হিসেবে।
সব মিলিয়ে, এই প্রত্যাবর্তন রাজনীতিতে উত্তেজনার চেয়ে আশার আলো জ্বালাক—এটাই প্রত্যাশা। সংলাপ, সহমর্মিতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চাই পারে এই মুহূর্তকে দেশের জন্য ফলপ্রসূ করে
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আমেনা খাতুন ইভা
All rights reserved ©2017dailyaparadhchakra.com