ঢাকা মহানগর উত্তর যেন এক অঘোষিত অপরাধের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে—এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে দখলবাজি—সবকিছুর পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগের তীর সরাসরি শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কাজি শাহ আলম রাজা এবং সদস্য সচিব কামরুজ্জামান-এর দিকে। তাদের নেতৃত্বেই নাকি ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন থানায় এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বিস্তৃত হয়েছে।
ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না কেউ!”
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় এমন প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে যে সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে—
কমিটি বাণিজ্য, চাঁদাবাজি , জোরপূর্বক দখল ,,মাদক ও জুয়ার রমরমা ব্যবসা সবকিছুই নাকি চলছে সংগঠিতভাবে!
আইন-শৃঙ্খ
লা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ
বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে ঢাকা উত্তরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি হতে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ
বিষয়টি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে আনার দাবি উঠেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন অভিযোগকারীরা।
জনগণের দাবি একটাই:
অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তি, অপরাধমুক্ত ঢাকা উত্তর
ঢাকা উত্তর কি সত্যিই অপরাধ সিন্ডিকেটের দখলে? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো রহস্য?—এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কত দ্রুত ও কঠোরভাবে পদক্ষেপ নেয়।