বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি-১ জামালপুর, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর যৌথ অভিযানে চাঞ্চল্যকর মিলন (১৭) হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ০৬ নং পলাতক আসামী মোঃ বুলবুল (৪০) কে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানাধীন আরামনগর এলাকা হতে গ্রেফতার
১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সংঘবদ্ধ অপরাধ, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, খুন,পাচার এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।
২। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ রাত্রী অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানাধীন বুড়ইল বাজারে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরধরে ভিকটিম মিলন হোসেন (১৭), পিতা-মোঃ দিলবর হোসেন(৪১), সাং-বুড়ইল(দক্ষিনপাড়া), থানা-নন্দীগ্রাম, জেলা-বগুড়াকে বিবাদীগনের হাতে থাকা ধারালো চাকু দ্বারা বুকের বাম পার্শ্বে আঘাত করে। বিবাদীগন ভিকটিমকে মুমুর্ষ অবস্থা দেখে ঘটনাস্থল হতে সিএনজি ও মোটর সাইকেল যোগে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বগুড়ায় নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৭, তারিখ-২১/০২/২০২৬ ইং, ধারা- ১৪৩/৩৪১/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ গোপন সংবাদের ভিক্তিতে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার ০৬নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামী মোঃ বুলবুল (৪০) গ্রেফতার এড়াতে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানাধীন আরামনগর এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি-১ জামালপুর, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর যৌথ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২১.৩০ ঘটিকায় উক্ত মামলার এজাহারনামীয় ০৬নং পলাতক আসামী মোঃ বুলবুল (৪০), পিতা- আজিজল, সাং-বীরপলি (উত্তরপাড়া), থানা-নন্দীগ্রাম, জেলা-বগুড়া’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়।
৩। র্যাবের এ ধরনের হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার অভিযান কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার করা হবে। আইন শৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধমুক্ত দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে পারবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।