আজ খাজা আজাদের ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী। খাজা আজদ নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন— মাতা ঃনাসিমা বেগম নানা ঃ মৃতঃ খাজা আজমল বাবাঃ আছির উদ্দিন ২৮ নংনবাব বাড়ী ইসলামপুর। নবাব হাবিবুল্লাহ বাহাদুরের বংশধর হিসেবে তিনি ছিলেন এক আদর্শবাদী ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব।
খাজা আজমল ও নাসিমা বেগমের পরিবারে বেড়ে ওঠা খাজা আজাদ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা—যেখানে একটি ছোট্ট দ্বীপও মরুভূমির মতো অনুর্বর না থেকে হয়ে উঠবে বাসযোগ্য ও সমৃদ্ধ।
তিনি সাংবাদিকতা জগতের উন্নয়নের জন্যও আজীবন কাজ করেছেন। “দৈনিক অপরাধ চক্র”-এর মাধ্যমে প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে আমিনা খাতুনের সাথে তিনি যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক। তার দেখানো পথ অনুযায়ী সাংবাদিকদের জন্য ন্যায্য বেতন-ভাতা, পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
খাজা আজাদ বিশ্বাস করতেন—সাংবাদিকতা হবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, নীতিবান সাংবাদিক তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, যারা নির্ভয়ে সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারবে।
আজ তার এই মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা তার স্বপ্ন, আদর্শ ও অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তার দেখানো পথ অনুসরণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।