পিরোজপুর শহরে ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় মিজানুর জামান (৪৮) নামের এক যুবককে আটক করা হয়। রোববার বিকেলে শহরের কাপুরিয়াপট্টি এলাকার একটি বহুতল মার্কেটের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মিজান বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের মৃত নূরুজ্জামান ফকিরের ছেলে।
রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মোঃ জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিজান জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বলে ডিবি পুলিশ গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছিল। একটি নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম লক্ষ্যস্থলে অভিযান চালায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, অভিযানের সময় মার্কেটের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে মিজান অবস্থান করছিল। কক্ষে ঢুকেই পুলিশ সদস্যরা প্যাকেটে মোড়ানো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা দেখতে পান। গণনা শেষে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এসব ইয়াবা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের উদ্দেশে সেখানে মজুত করে রাখা হয়েছিল।
তিনি জানান, আটক মিজানুর জামান দীর্ঘদিন ধরে আন্তজেলা মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়তা করবে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত আছে, তা খতিয়ে দেখছে ডিবি পুলিশ।
এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোঃ মহিদুল ইসলাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করবেন বলে জানানো হয়।
ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুর জেলায় উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মধ্যে এটিই এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চালান। এ কারণে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মাদক চক্রের মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিস্তারিত সংবাদ:
পিরোজপুর শহরে ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় মিজানুর জামান (৪৮) নামের এক যুবককে আটক করা হয়। রোববার বিকেলে শহরের কাপুরিয়াপট্টি এলাকার একটি বহুতল মার্কেটের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মিজান বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের মৃত নূরুজ্জামান ফকিরের ছেলে।
রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মোঃ জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিজান জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বলে ডিবি পুলিশ গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছিল। একটি নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম লক্ষ্যস্থলে অভিযান চালায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, অভিযানের সময় মার্কেটের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে মিজান অবস্থান করছিল। কক্ষে ঢুকেই পুলিশ সদস্যরা প্যাকেটে মোড়ানো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা দেখতে পান। গণনা শেষে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এসব ইয়াবা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের উদ্দেশে সেখানে মজুত করে রাখা হয়েছিল।
তিনি জানান, আটক মিজানুর জামান দীর্ঘদিন ধরে আন্তজেলা মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়তা করবে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত আছে, তা খতিয়ে দেখছে ডিবি পুলিশ।
এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোঃ মহিদুল ইসলাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করবেন বলে জানানো হয়।
ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুর জেলায় উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মধ্যে এটিই এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চালান। এ কারণে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মাদক চক্রের মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।