। অনেক আলোচনা সমালোচনা চলছিল কি থাকবে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে? আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান থেকে দেশবাসী জানতে পারলো বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কি কি কাজ করবেন।
নিন্মে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় আমি সংক্ষিপ্তভাবে দিয়েছিঃ
১) সংবিধানে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” এবং “মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্তা ও বিশ্বাস” রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে স্থাপন করা হবে।
২) বিএনপি ক্ষমতায় আসলে পিতা মাতার ভরণপোষণ আইন করা হবে।
৩) ফ্যামিলি কার্ড (প্রায় ২৫০০ টাকা সম্মানি ভাতা বা সমমূল্যের খাদ্য প্রদান করা হবে।)
৪) কৃষককার্ড ( নায্য মূল্যে সার ঔষধ বীজ দেয়া এবং পন্য সরবরাহ ও সংরক্ষণ সহ প্রায় ১০০০০ হাজার পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকূপ করা হবে।)
৫) স্বাস্থ্যসেবা (প্রতিটি নাগরিকের জন্য ই হেলথ কার্ড প্রবর্তনের মাধ্যমে ফ্রি স্বাস্থ সেবা দেয়া হবে। সবার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রায় ১ লক্ষ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ করা হবে, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সচল করা হবে।)
৬) কর্মমূখী শিক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। বাংলা ও ইংরেজীর পাশাপাশি তৃতীয় আরেকটি ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে।
৭) তরুনদের কর্মসংস্থান
৮) ক্রিয়া উন্নয়ন
৯) পরিবেশ রক্ষা
১০) ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রতি
১১) আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম বা পেপাল চালু করা হবে, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন করা হবে, মেইড ইন বাংলাদেশ পন্যের রপ্তানির সম্প্রসারণ করা হবে।
১২) ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না, এ নিয়ে সংসদে আইন পাশ করা হবে।
১৩) স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বাজেট দেয়া হবে।
১৪) সংবিধানে তত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনা হবে।
১৫) চট্টগ্রামকে বানিজ্যিক রাজধানী করা হবে।
এছাড়াও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ইশতেহারে রয়েছে। এগুলো শুধু নির্বাচনের জন্য প্রতিশ্রুত বিষয় নয় এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয় ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয় জনগণের অধিকারই বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয় উৎপাদন, ভয় নয় অধিকার, বৈষম্য নয় নায্যতা, এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। সন্ত্রাস দূর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান হবে আইনের উর্ধ্বে কেউ থাকবেনা, এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। প্রত্যেক নাগরিক গর্ব করে বলতে পারবে সবার আগে বাংলাদেশ।