২০১২ সালের সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে আদালত অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমানের আদালতে মামলার শুনানির সময় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন সময়সীমা ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়।
আদালতে হাজির ছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআই’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল। তিনি জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। তদন্তে সাংবাদিক, স্বজন ও ডিএনএ বিশেষজ্ঞদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হলেও, মিশ্রিত ডিএনএ পাওয়ায় সঠিক সনাক্তকরণে বাধা রয়েছে। তাই প্রতিবেদন দাখিলের সময় বিলম্ব হচ্ছে।
বিচারক বলেন, “আগের তদন্ত কর্মকর্তা যেমন একই কথা বলেছেন, তেমনি আমি আপনার অগ্রগতি দেখে অসন্তুষ্ট। আপনারা অবশ্যই আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।”
মামলার আসামিদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে আছেন, বাকিরা কারাগারে রয়েছেন। মামলাটি ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র প্রতিবেদক মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের। প্রথমে স্থানীয় থানা, পরে ডিবি এবং শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশে টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্ত চলছে।
গত বছরের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়। এই টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে পিবিআই প্রধান থাকেন।
আদালত আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগে মোট ১২১ বার পেছানো হয়েছে