১৩ লক্ষ টাকার কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী আটকশেরপুর ও সিরাজগঞ্জে র্যাব-১২-এর অভিযান; দুটি মূল্যবান মূর্তি জব্দ
বগুড়ার শেরপুর এলাকা থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা দুটি অতি মূল্যবান কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে র্যাব-১২। এ সময় মূর্তি পাচারের সঙ্গে জড়িত মো. ফারুক আহমেদ (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া দুটি মূর্তির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
২৮ নভেম্বর বিকেলে শেরপুর ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এই অভিযান চালানো হয়।
যেভাবে আটক হলেন পাচারকারী
র্যাব-১২, বগুড়া ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, ২৮ নভেম্বর বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, শেরপুর থানাধীন বিশালপুর ইউনিয়নের ভাইভাই নিউ মার্কেটে এক ব্যক্তি কষ্টি পাথরের মূর্তি পাচারের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন।
র্যাব-১২ অধিনায়ক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২-এর একটি চৌকস দল ওই মার্কেটের তাহমিদ ভ্যারাইটিজ স্টোরের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার লাউতা গ্রামের বাসিন্দা মো. ফারুক আহমেদকে (৩৪) আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১ কেজি ওজনের একটি কালো রঙের কষ্টি পাথরের খোদাই করা বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়।
বাসা থেকে মিলল ১২ কেজির দ্বিতীয় মূর্তি
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ফারুক আহমেদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন লাউতা গ্রামে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে অভিযুক্তের ঘরের খাটের নিচ থেকে আরও একটি ১২ কেজি ওজনের কালো রঙের কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়। মূর্তিটির সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য ছিল ২৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ১০ ইঞ্চি।
র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া দুটি বিষ্ণু মূর্তির আনুমানিক মূল্য ১৩ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ফারুক আহমেদকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া জেলার শেরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।