কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার ১০ লক্ষ টাকা চাঁদার জন্য দৌলতপুর থানার মোহাম্মদ সনজিত রানার বসতবাড়িতে অগ্নি সংযোগ,ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমাদের নিজম্ব প্রতিনিধি জানতে পারেন যে, ভুক্তভোগী মোঃ সানিজিদ রানা একজন তরুণ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী অন্যদিকে বিএনপির যুবদল নেতা ১। মোঃ আব্দুল জব্বার (৫০) পিতা—মোঃ আকবর আলী, থানা- দৌলতপুর তিনি ভুক্তভোগী সানজিত রানার কাছ থেকে বেশ কিছুদিন যাবৎ ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। যুবদল নেতার বলা মোতাবেক নির্ধারিত ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দেয়ার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারকে ৭ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ৭ দিনের মধ্যে দশ লক্ষ টাকা দিতে না পারায় বিএনপির যুবতল নেতা আব্দুল জব্বার এবং তার সহিত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী সাঙ্গপাঙ্গ ২। মোঃ মহন আলী (৫৫) ৩। মোঃ শরিফুল ইসলাম শরি ৪। মোঃ জয়নাল হোসেন (৩৫) ৫। দিল্লা (৪০) ৬। মোঃ ফিরোজ ইসলাম (২৫) ৭। মোঃ জুবায়ের হোসেন (২৫) সর্ব সাং— চক দৌলতপুর, ৮। মোঃ সাইফুর রহমান টুটল (৪২) সাং চককৃষ্ণপুর, সর্ব ১০ নং দৌলতপুর ইউপি, থানা—দৌলতপুর, জেলা—কুষ্টিয়া সহ তাহাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা আর ৮/১০ জন মিলে তাহাদের চাঁদা দিতে না চাওয়ায় তাহারা মোঃ সানিজিদ রানাকে সহ তাহার পরিবারের লোকজনদের বিভিন্ন সময় বসত বাড়ীতে আগুন দিয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইং—১১/০৭/২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.২০ ঘটিকার সময় মোঃ সানিজিদ রানা দৌলতপুর থানাধীন চক কৃষ্ণপুর পূর্বপাড়া গ্রামস্থ জনৈক কাবের এর মুদি দোকানের সামনে বসে ছিল।
এমন সময় উপরোল্লেখিত চাঁদাবাজ দুর্বৃত্তগণ মোঃ সানিজিদ রানার সামনে উপস্থিত হইয়া ১০,০০,০০০/— (দশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি চাঁদা না দিতে চাইলে যুবদল নেতা জাব্বার, সানিজিদ রানা কে চড় থাপ্পড় মেরে তাহার শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে চক দৌলতপুর স্কুল মোড়ে নিয়ে যায় এবং সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর সকল চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীগণ মোঃ সানিজিদ রানাকে উপস্থিত জনগণের সম্মুখে কিল ঘুষি মারিয়া জখম করে। আস পাশের লোকজন আগাইয়া আসিয়া তাহাকে রক্ষা করে। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীগণ খুন জখমের হুমকি দিয়া চলে যায়। একই ঘটনার জের ধরে ইং—১১/০৭/২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.৪০ ঘটিকার সময় উপরোল্লেখিত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীগণসহ তাহাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন চাঁদাবাজদের লইয়া পরষ্পর যোগসাজস করিয়া পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে অগ্নিকাণ্ড ঘটানোর জন্য পেট্রোল পাঠ খড়ি, হাতে থাকা দেশীয় তৈরী ধারালো রামদা, হাসুয়া, লোহার রড, লোহার হাতুড়ি, লাঠি—বাটাম নিয়া বেআইনী জনতাবদ্ধে দৌলতপুর থানাধীন চককৃষ্ণপুর গ্রামস্থ ভুক্তভোগীর বসত বাড়ীর সামনে উপস্থিত হইয়া জাব্বার এর হুকুমে, মোঃ সাইফুর রহমান টুটল সহ সকলই লোহার হাতুড়ি, লোহার রড দিয়া ভুক্তভোগীর বসত বাড়ীর সদর দরজা ভাঙ্গিয়া বাড়ীর ভিতর অনধিকার প্রবেশ করতঃ বাড়ীর ভিতর থাকা একটি ১৫০ সিসি ফেজার মোটরসাইকেল ও একটি এফজেদএস ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, বাড়ীর জানালার গ্লাস সহ বাড়ীর জিনিস পত্র ভাংচুর করিয়া প্রথম দফায় অনুমান ২,০০,০০০/— টাকার ক্ষতি সাধন করে।
ভুক্তভোগির স্ত্রী মোছাঃ কাশমি খাতুন (২৫) কে মারধর করে। মোঃ মহন আলী ভুক্তভোগীর স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলাচিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।মোঃ জয়নাল হোসেন ভুক্তভোগীর শয়ন কক্ষে শোকেচের ড্রয়ারে রক্ষিত তাহার মা ও স্ত্রীর প্রায় ২ ভরি ওজনের বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার যাহার অনুমানিক মূল্য ৩,২০,০০০/— (তিন লক্ষ বিশ হাজার) টাকা নিয়ে নেয়। দিল্লা হোসেন ভুক্তভোগীর শয়ন কক্ষে শোকেচের ড্রয়ারে রক্ষিত নগদ ২,০০,০০০/— (দুই লক্ষ) টাকা নিয়ে নেয়। সকল চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীগণ ভুক্তভোগীর স্ত্রী সন্তানকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার বাড়ীর ভিতর আটকাইয়া রাখিয়া দুর্বৃত্তরা ভুক্তভোগীর বাড়ীর গাড়ীর ঘরের তালা ভেঙ্গে জব্বার, মোঃ মহন আলী ও মোঃ সাইফুর রহমান টুটল তাহাদের হাতে থাকা পেট্রোলের দিয়ে ভুক্তভোগীর বসত বাড়ী ও এক্স নোহা প্রাইভেট কারে পেট্রোল ছিটিয়ে দেয়,ফিরোজ ইসলাম পাটখড়ি সংগ্রহ করে আনে এবং মোঃ শরিফুল ইসলাম শরি ম্যাচ মেরে পাটখড়িতে আগুন দিয়া ভুক্তভোগীর বসত বাড়ী ও গাড়ীতে আগুন লাগাইয়া দেয়।
দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকি আগুনের লেলিহান শিখা এতে গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হয়ে
ভুক্তভোগীর বাড়ী-গাড়ী ও আসপাশের সবকিছু পুড়ে ভুষ্মি ভুত হয়। এ ঘটনায় অনুমান ৪০,০০,০০০/— (চল্লিশ লক্ষ) টাকার ক্ষতি সাধন করতঃ সকল দুর্বৃত্তগনণ এমন বিভৎস অগ্নিকাণ্ড ঘটানোর পরেও জনসম্মুখে বীর দর্পে চলিয়া যায়। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মোহন গাড়ীতে আগুন দেওয়ার সময় সে নিজেও অগ্নিদগ্ধ হয়।
অনুসন্ধানী প্রতিনিধি খোঁজখবর লইয়া এহাও জানতে পারেন যে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে দৌলতপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করিয়াছে বলে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া যায় ।