বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আবারও আলোচনায় ফিক্সিং। এবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়েছেন শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের ব্যাটার মিনহাজুল আবেদিন সাব্বির। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকু) সোমবার জানিয়েছে, সাব্বিরের বিরুদ্ধে তদন্তে বেশ কিছু গুরুতর তথ্য উঠে এসেছে এবং তার বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্তের সূত্রপাত ঘটে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) গত মৌসুমে শাইনপুকুর ও গুলশান টাইগার্সের মধ্যকার একটি ম্যাচকে ঘিরে। সেই ম্যাচে সাব্বির এবং তার এক সতীর্থ ব্যাটার রাহিম আহমেদের আউট হওয়ার ধরণ সন্দেহজনক ছিল। আকুর অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিপিএলের সময় সাব্বির একটি বিদেশি নম্বরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন, যেটিকে একটি আন্তর্জাতিক ফিক্সিং চক্রের অংশ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাব্বির বোর্ডের দুর্নীতি বিরোধী নীতিমালার একাধিক ধারা লঙ্ঘন করেছেন। এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এমনকি এই তদন্তে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) গ্লোবাল আকু এবং ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা মনে করছেন, ২০১৩ সালে মোহাম্মদ আশরাফুলের বিরুদ্ধে যে ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সাব্বিরের ক্ষেত্রেও তেমন কড়া পদক্ষেপ জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করতে সাহস না পায়।
সবশেষে, এখন সিদ্ধান্ত বিসিবির হাতে। শাস্তি ঘোষণার আগে বোর্ড চূড়ান্ত পর্যালোচনা করছে, যা বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।