একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের মধ্যে অন্যতম হলো সন্তানকে কোরআনের হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলা। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিভাবকদের আগ্রহে ছেলেদের হাফেজ বানানোর প্রবণতা বাড়ছে। মাদরাসা ও হিফজখানাগুলোতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্থানীয় মাদরাসার শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অভিভাবকরা সন্তানকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষায় নয়, নৈতিক ও শৃঙ্খলাবদ্ধ মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে চান। এজন্যই ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের হিফজ শিক্ষায় আগ্রহী করা হচ্ছে।
একজন হাফেজ অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তান যেন আল্লাহর কিতাবকে অন্তরে ধারণ করতে পারে, সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য।”
ধর্মীয় শিক্ষাবিদরা মনে করেন, হাফেজ হওয়া শুধু ধর্মীয় কৃতিত্ব নয়, বরং সমাজ ও জাতির জন্যও আশীর্বাদস্বরূপ। হাফেজরা পরবর্তীতে শিক্ষকতা, ইমামতি ও দাওয়াহ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে হাফেজদের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। ফলে অভিভাবকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।
ছেলে হাফেজ বানানোকে কেন্দ্র করে এখন অনেক পরিবারেই নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এটি ধর্মীয় চেতনাকে জাগ্রত করার পাশাপাশি আগামী প্রজন্মকে সুসংহত নৈতিক জীবনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।