১৩ নং এওয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ জনগণ ন্যায্য সেবা পেতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর পদে থাকা এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ করে
ছেন সেবাপ্রার্থীরা।
অভিযোগে জানা যায়, জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যুনিবন্ধন, অনলাইন প্রত্যয়নপত্রসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা পেতে
গেলে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হ
চ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে ফাইল দিনের পর দিন আটকে রাখা হয়, নানা অজুহাতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় সেবাগ্রহীতাদের।
একজন সেবা প্রার্থী ক্ষোভের সঙ্গে জানান, “আ
মাদের সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের জন্য একাধিকবার গিয়েছি, কিন্তু
প্রতিবারই নানা অজুহাতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে অপারেটর সরাসরি টাকা চেয়েছে। এটা আমাদের জন্য অপমানজনক ও অমানবিক।”
একই অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন আরও অনেকেই। তাঁদের অভিযোগ—এই দুর্নীতির কারণে মানুষের ভোগান্তি ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে।
এদিকে উক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে
সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে শত শত নারী-পুরুষকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জুতা মিছিল করতে দেখা গেছে।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হবে, এবং প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জনগণ তাঁদের করের টাকায় পরিচালিত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঘুষমুক্ত ও সম্মানজনক সেবা প্রত্যাশা করেন। এখন দেখা যাক প্রশাসন এই দুর্নীতির চক্র ভাঙতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।