রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আজ অনুষ্ঠিত হলো সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ। উভয় পক্ষের মধ্যে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা জোরদার, অপরাধ দমন এবং প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে সিআইডি পক্ষের নেতৃত্ব দেন সংস্থার প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মো. ছিবগাত উল্লাহ, বিপিএম, পিপিএম। অপরদিকে, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন এফবিআই-এর সহকারী লিগ্যাল অ্যাটাশে জনাব রবার্ট ক্যামেরন (Mr. Robert Cameron), জনাব কেসি ফারেল (Mr. Casey Farrell), এফবিআই প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞ মিস সুশান ফিনবি (Ms. Susan Finby) এবং আইন প্রয়োগ বিশেষজ্ঞ জনাব মো. আমিনুল ইসলাম (Mr. Md. Aminul Islam)।
আলোচনায় মূলত আর্থিক অপরাধ, বিশেষ করে ক্রিপ্টোকারেন্সি সংশ্লিষ্ট অপরাধ মোকাবিলা এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। উভয় পক্ষ তথ্য বিনিময়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ভবিষ্যতে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, অপরাধের ধরণ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, বিশেষত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ বাড়ছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। মার্কিন প্রতিনিধি দল এবং সিআইডির কর্মকর্তারা যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের মাধ্যমে বহুমুখী সহযোগিতা আরও কার্যকর হবে।
সাক্ষাতে সিআইডির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যেমন ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও বিশেষ পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আলোচনায় বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁরা মনে করেন, সন্ত্রাস দমন, আর্থিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশেরই অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হবে এবং অপরাধ মোকাবিলায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।