) বরগুনার আমতলী উপজেলায় সরকারি বোরো ধান ক্রয় কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর, ধান ক্রয় কমিটি ও খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ যোগসাজশে ভুয়া কৃষক তালিকা তৈরি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান ক্রয় করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি নীতিমালা অনুসারে প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে মণপ্রতি ১৪৪০ টাকায় ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান না নিয়ে “আর্দ্রতা বেশি” অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সিন্ডিকেট সদস্যরা বাজার থেকে মণপ্রতি ১১৪০ টাকায় ধান কিনে সেই ধান সরকারি গুদামে ১৪৪০ টাকায় বিক্রি করে প্রতি মণে ৩০০ টাকা করে মুনাফা করেছেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অনুযায়ী, এ বছর আমতলী উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তরের বোরো ধান ক্রয়ের কোটা ছিল ২১৯ মেট্রিক টন। কাগজপত্রে দেখা যায়, ৭৩ জন কৃষকের কাছ থেকে তিন টন করে ধান ক্রয় দেখানো হয়েছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে অধিকাংশ কৃষকই ধান বিক্রির কথা অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ফাতেমা রাইস মিলের মালিক দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা একটি সিন্ডিকেট গঠন করে এই ভুয়া কৃষক তালিকা তৈরি করেন। ওই তালিকার অধিকাংশ নামই দেলোয়ার হোসেনের নিজ গ্রাম কড়াইবুনিয়া এলাকার হলেও বাস্তবে সেসব নামে কোনো কৃষক নেই।