কক্সবাজারের টেকনাফে আওয়ামী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরু হুদা গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার রাতে টেকনাফ পৌরসভার একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, নুরু হুদা তার সহকর্মীদের সঙ্গে এলাকায় অবস্থানকালে একদল সন্ত্রাসী হঠাৎ হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে এবং মারধর করে গুরুতর জখম করে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এ ঘটনায় টেকনাফ উপজেলা যুবদল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আমাদের নেতা নুরু হুদার ওপর সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পিত। রাজনৈতিক ভিন্নমত দমাতে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
এদিকে হামলার খবর পেয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে। দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে-ই অপরাধী হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক সহিংসতা দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপই পারে এ ধরনের সহিংসতা রোধ করতে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।