অক্টোবর-নভেম্বরে পাকিস্তান সফরে দক্ষিণ আফ্রিকা দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পাশাপাশি তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। এই সিরিজের জন্য দলে ফিরেছেন প্রোটিয়াদের বাঁহাতি ওপেনার কুইন্টন ডি কক। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক সাদা বল ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ডি কককে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে রাখা হয়েছে।
ডি কক সর্বশেষ ওয়ানডেতে খেলেছিলেন ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে। এরপর থেকে এই ফরম্যাটে তিনি অফিশিয়ালি অবসর নেননি, তবে জাতীয় দলে সুযোগ পায়নি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২ ফাইনালই ছিল তার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। জাতীয় দলে অনিশ্চয়তা থাকায় তিনি বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেছেন। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন কোচ শুকরি কনরাড জানিয়েছেন, ডি কক আবারও জাতীয় দলে ফিরে আসতে ইচ্ছুক।
কনরাড বলেন, “কুইন্টনের সাদা বলে ফিরে আসা আমাদের শক্তি বাড়িয়েছে। তার দেশের প্রতিনিধিত্বের আগ্রহ আমাদের দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি থাকলে দল আরও শক্তিশালী হবে।”
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ডি কক জানিয়ে ছিলেন তিনি ওয়ানডে থেকে অবসরে যাচ্ছেন। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর পর তিনি পরিবর্তিত ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিশেষ করে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকায় হওয়ায় ভবিষ্যতে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৫৫ ম্যাচে ডি কক ৪৫.৭৪ গড়ে ৬৭৭০ রান করেছেন, ২১টি সেঞ্চুরি রয়েছে তার সংগ্রহে। টি-টোয়েন্টিতে ৯২ ম্যাচে ১৩৮.৩২ স্ট্রাইক রেটে ২৫৮৪ রান করেছেন। ২০১৫, ২০১৯ ও ২০২৩ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।
পাকিস্তান সফরে দক্ষিণ আফ্রিকা তিনটি আলাদা অধিনায়ক নিয়ে খেলবে। টেস্ট অধিনায়কত্ব করবেন এইডেন মার্করাম, টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দিবেন ডেভিড মিলার এবং ওয়ানডে দলে নেতৃত্বে থাকবেন ম্যাথু ব্রিটজ। নিয়মিত টেস্ট অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা চোটের কারণে ছয় থেকে আট সপ্তাহের জন্য বাইরে থাকবেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা লাহোরে ১২ অক্টোবর প্রথম টেস্টে নামবে, দ্বিতীয় টেস্ট হবে ২০ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে। টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু ২৮ অক্টোবর লাহোরে এবং ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত হবে ৪ নভেম্বর।