
ঝিনাইদহের মহেশপুরে সরকারিভাবে ইজারা নেওয়া হাট থেকে খাজনা আদায়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান লেন্টু।
সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে ইজারাদার লেন্টু অভিযোগ করেন, মহেশপুর উপজেলার গৌরিনাথপুর ও আদমপুর হাট সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তিনি ইজারা পান। তবে এখন খাজনা আদায় করতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালী ইসমাইল হোসেন, সোহাগ সরকার ও ফারুক হোসেন তাতে বাধা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তাঁরা সাধারণ ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায় করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ইজারাদার লেন্টু আরও জানান, হাটে তাঁর মনোনীত ব্যক্তিরা খাজনা আদায় করতে গেলে তাঁদের মারধর করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কথা বললে উল্টো হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি। সুষ্ঠুভাবে খাজনা আদায়ের পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত সোহাগ সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা কোনো টাকা আদায় করছি না। হাটের আড়তদাররা তাঁদের নিয়মিত কমিশন নিচ্ছেন।”







