বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রশাসন, সাংবাদিকতা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন কাঠামো নিয়ে নতুন করে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের দাবি, ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে, আর সেই সুযোগে ব্যক্তিস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত প্রভাব ক্রমশ প্রাধান্য পাচ্ছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, ক্রিকেট উন্নয়নের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে ক্রীড়া সাংবাদিকতার একটি অংশের বিরুদ্ধে অনৈতিকতা, অতিরঞ্জন এবং যাচাইবিহীন তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সাধারণ দর্শক ও সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
আরও অভিযোগ রয়েছে, কিছু মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ও কনটেন্ট নির্মাতা মাঠের বাস্তব পারফরম্যান্স বা সারাদেশের ক্রিকেট কার্যক্রমের চেয়ে তুচ্ছ ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে জাতীয় ক্রিকেটের প্রকৃত চিত্র আড়ালে থেকে যাচ্ছে এবং গঠনমূলক আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, নিয়োগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় পেশাদারিত্বের অভাব এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্রিকেটের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল অংশ, সাবেক ক্রীড়াবিদ এবং সচেতন মহল ক্রিকেট প্রশাসনে সংস্কার, জবাবদিহিতা এবং নৈতিক সাংবাদিকতার উপর জোর দিচ্ছেন। তাদের মতে, দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে হলে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব এবং প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
বিশ্লেষকদের অভিমত, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশের ক্রিকেট কাঠামো আরও গভীর সংকটে পড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
অবশ্যই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এখন যারা বোর্ড দখল করে বসে আছে তারা রাষ্ট্রের খয়রাতি ক্রিকেট মন্ত্রীর লোভী উচ্চাভিলাসের পরিণতি মাত্র। ক্রিকেট জার্নালিজমে এখন নৈতিকতার লেশমাত্র নেই। মিডিয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নামধারী ছাপড়িদের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ বেসিক নিউজ করা মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো। দেশের ক্রিকেটের ডেভেলপমেন্টের চেয়ে ধান্দাবাজীর হিসাব বেশী, এদের মধ্যে আবার ভারতীয় গণমাধ্যমের ঘাপটি মেরে থাকা এজেন্টও আছে, রয়েছে অনৈতিক অর্থনৈতিক উন্নতির চেরাগ।